Md Jahir Rayhan
৯ ডিসেম্বর ২০২৫, ৩:৪৪ অপরাহ্ণ
অনলাইন সংস্করণ

জাপানের পর ভূমিকম্পে কাঁপলো মিয়ানমার

জাপানের পর মিয়ানমারে আঘাত হেনেছে ৩ দশমিক ৭ মাত্রার ভূমিকম্প। স্থানীয় সময় সোমবার (৮ ডিসেম্বর) দিনগত রাত ১টা ২১ মিনিটে ভূমিকম্পটি অনুভূত হয়। খবর এএনআইয়ের।

এদিকে, সোমবার (৮ ডিসেম্বর) গভীর রাতে জাপানের পূর্ব অওমোরি উপকূলের কাছে ৭ দশমিক ৫ মাত্রার শক্তিশালী ভূমিকম্প আঘাত হানে। এদিন স্থানীয় সময় রাত ১১টা ১৫ মিনিটের দিকে এই ভূমিকম্প অনুভূত হয়। ভূমিকম্পের পর অওমোরি, ইওয়াতে ও হোক্কাইডোর উপকূলীয় এলাকায় সুনামি সতর্কতাও জারি করা হয়।

ভারতের ন্যাশনাল সেন্টার ফর সিসমোলজির (এনসিএস) তথ্য অনুযায়ী, মিয়ানমারের সর্বশেষ এই ভূমিকম্পটির ছিল দেশটির উত্তর-পূর্ব অঞ্চলে। আর এর গভীরতা ছিল ভূপৃষ্ঠ থেকে ৩০ কিলোমিটার।

মিয়ানমারের দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা কর্মকর্তারা জানিয়েছেন, ভূমিকম্পটির তীব্রতা কম হলেও ধারাবাহিক কম্পনের কারণে মিয়ানমারে জনমনে উদ্বেগ বাড়ছে। কারণ দেশটি চারটি সক্রিয় টেকটোনিক প্লেটের সংযোগস্থলে অবস্থিত হওয়ায় বেশ ভূমিকম্প প্রবণ। সেখানে যে কোনো সময় বড় মাত্রার ভূমিকম্প আঘাত হানতে পারে।

এর একদিন আগে, সোমবার দিনে ৩ দশমিক ৫ মাত্রার আরেকটি ভূমিকম্প আঘাত হানে মিয়ানমারে। ওই ভূমিকম্পটির গভীরতা ছিল মাত্র ১০ কিলোমিটার। এরপরই আফটারশকের ঝুঁকি ছিল।

ভূমিকম্প ও সুনামির ঝুঁকিতে থাকা দেশগুলোর মধ্যে মিয়ানমার অন্যতম। দেশটি চারটি সক্রিয় টেকটোনিক প্লেট- ভারতীয়, ইউরেশীয়, সুন্ডা ও বার্মা প্লেটের সংযোগস্থলে অবস্থিত হওয়ায় ভূমিকম্পের প্রবণতা বেশি। প্রায় ১৪০০ কিলোমিটার দীর্ঘ একটি ট্রান্সফর্ম ফল্ট রেখা আন্দমান স্প্রেডিং সেন্টার থেকে উত্তরের সংঘর্ষ অঞ্চলের দিকে বিস্তৃত হয়ে তৈরি করেছে সাগাইং ফল্ট।

এএনআই জানায়, এই সাগাইং ফল্টই মিয়ানমারের সাগাইং, মান্দালে, বাগো ও ইয়াঙ্গুন অঞ্চলের ভূমিকম্প ঝুঁকি বাড়িয়ে দিয়েছে। এই চার অঞ্চলে মিয়ানমারের মোট জনসংখ্যার প্রায় ৪৬ শতাংশ বসবাস করে। যদিও ইয়াঙ্গুন ফল্ট লাইনের থেকে তুলনামূলক দূরে, তবুও ঘনবসতির কারণে ঝুঁকি অনেক বেশি।

এর আগে চলতি বছরের মার্চে ৭ দশমিক ৭ ও ৬ দশমিক ৪ মাত্রার দুটি ভয়াবহ ভূমিকম্পে মধ্য মিয়ানমারের বিশাল অঞ্চল ক্ষতিগ্রস্ত হয়।

মন্তব্য করুন

  • সর্বশেষ
  • জনপ্রিয়

বাজে বোলিংয়ে হতাশায় দিন শেষ করল বাংলাদেশ

রূপপুরে রাশিয়ার বিজয় দিবস উদযাপন

পরীক্ষা বন্ধ করে ব্যবসায়ী সমিতির ভোট, ফিরে গেলো শিক্ষার্থীরা

৭ জেলায় বজ্রপাতের আশঙ্কা, সতর্ক থাকার পরামর্শ

অবশেষে আরেক দলের সমর্থন অর্জন, মুখ্যমন্ত্রী হচ্ছেন থালাপতি বিজয়

আর বাকি ৩৩ দিন : পোল্যান্ডের সোনালি অধ্যায়

বর্ণাঢ্য আয়োজনে চার দিনব্যাপী পুলিশ সপ্তাহ শুরু হচ্ছে রোববার

চট্টগ্রামে দুই বাসের সংঘর্ষে হতাহতদের পরিচয় শনাক্ত

স্পেনগামী প্রমোদতরীতে হান্টা ভাইরাসের হানা, মৃত ৩

রাষ্ট্রপতির বিদেশযাত্রা ও দেশে ফেরার রাষ্ট্রাচারে পরিবর্তন

১০

কাজের গুণগত মান নিশ্চিতের উদ্যোগ রাজউকের

১১

মাদক বিক্রিতে বাধা দেওয়ায় হত্যা, যুবকের যাবজ্জীবন

১২

‘খাল খননের মাধ্যমে অবৈধভাবে গড়ে ওঠা স্থাপনা দখলমুক্ত হবে’

১৩

কুষ্টিয়া সরকারি কলেজে এমপি আমির হামজাকে ঘিরে হট্টগোল

১৪

ভিসা জটিলতায় ৯ জনকে রেখে ব্যাংককের পথে ঋতুপর্ণারা

১৫

যুদ্ধের মধ্যেও এমিরেটসের রেকর্ড মুনাফা

১৬

সন্ধ্যার মধ্যে ৯ অঞ্চলে ঝড়ের আভাস

১৭

৩০ বছর বয়সেই অবসরের ঘোষণা জার্মান ডিফেন্ডারের

১৮

পর্যায়ক্রমে মাঠ থেকে সেনাবাহিনী তুলে নেওয়া হবে : স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী

১৯

নাহিদ রানাকে বাংলাদেশের সম্পদ বললেন শাহিন আফ্রিদি

২০