MNB News
৬ মে ২০২৬, ১:৩৮ অপরাহ্ণ
অনলাইন সংস্করণ

ইরানে সামরিক অভিযান সমাপ্ত : রুবিও

গত ২৮ ফেব্রুয়ারি ইরানে ‘অপারেশন এপিক ফিউরি’ নামের যে সামরিক অভিযান শুরু করেছিল যুক্তরাষ্ট্র, তা শেষ হয়েছে বলে জানিয়েছেন যুক্তরাষ্ট্রের পররাষ্ট্রমন্ত্রী এবং প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের জাতীয় নিরাপত্তা বিষয়ক উপদেষ্টা মার্কো রুবিও। গতকাল মঙ্গলবার মার্কিন সংবাদমাধ্যম এবিসি নিউজকে দেওয়া এক সাক্ষাৎকারে এ তথ্য জানিয়েছেন তিনি।

সাক্ষাৎকারে যুক্তরাষ্ট্রের পররাষ্ট্রমন্ত্রী বলেছেন, “(ইরানে) অপারেশন এপিক ফিউরি শেষ করেছে মার্কিন প্রতিরক্ষা বাহিনী। যে লক্ষ্যে আমরা এ অভিযান শুরু করেছিলা, তা অর্জিত হয়েয়েছে।”

ইরানে নতুন কোনো সামরিক অভিযান চালানোর পরিকল্পনা যুক্তরাষ্ট্রের নেই উল্লেখ করে এবিসি নিউজকে রুবিও আরওে বলেন, “(ইরান ইস্যুতে) নতুন কোনো পরিস্থিতি তৈরি হোক— তা আমরা চাইছি না। আমরা শান্তির পথই পছন্দ করি। আমাদের প্রেসিডেন্ট একটি চুক্তি চান। তিনি আলোচনায় বসে একটি সমঝোতা স্মারক (মেমোর‌্যান্ডাম অব আন্ডারস্ট্যান্ডিং) তৈরিতে কাজ করতে চান, যেখানে ভবিষ্যতে আলোচনার জন্য গুরুত্বপূর্ণ সব বিষয় অন্তর্ভুক্ত থাকবে। তিনি চান হরমুজ প্রণালী সম্পূর্ণভাবে খুলে দেওয়া হোক—যেন বিশ্ব ফের আগের অবস্থায় ফিরতে পারে।”

উল্লেখ্য, ইরানের পরমাণু প্রকল্প ও ক্ষেপণাস্ত্র কর্মসূচি নিয়ে দীর্ঘ প্রায় দু’যুগ ধরে টানাপোড়েন চলছে ওয়াশিংটন ও তেহরানের মধ্যে। ২০২৫ সালের জুন মাস এ ইস্যুতে ১২ দিনের সংঘাতে জড়িয়ে পড়েছিল ইরান-যুক্তরাষ্ট্র এবং ইসরায়েল।

পরমাণু প্রকল্প ইস্যুতে ইরানের সঙ্গে সমঝোতা চুক্তির জন্য গত ৬ ফেব্রুয়ারি থেকে ২৭ ফেব্রুয়ারি পর্যন্ত সুইজারল্যান্ডের রাজধানী জেনেভায় বৈঠক হয় মার্কিন ও ইরানি প্রতিনিধিদলের মধ্যে। তবে দীর্ঘ এই আলোচনার পরও কোনো সমঝোতা হয়নি।

২১ দিন ধরে দফায় দফায় আলোচনার পরও কোনো চুক্তি ছাড়াই শেষ সেই বৈঠক। তার পরের দিন ২৮ ফেব্রুয়ারি ইরানে অপারেশন এপিক ফিউরি শুরু করে যুক্তরাষ্ট্র।

যুক্তরাষ্ট্র-ইসরায়েলের হামলায় ইতোমধ্যে নিহত হয়েছেন ইরানের সাবেক সর্বোচ্চ নেতা আয়াতুল্লাহ আলী খামেনি, প্রধান নিরাপত্তা কর্মকর্তা আলী লারিজানি, সামরিক বাহিনীর অভিজাত শাখা ইসলামিক রেভল্যুশনারি গার্ড কর্পস (আইআরজিসি)-এর শীর্ষ কমান্ডার মোহাম্মদ পাকপৌরসহ বেশ কয়েকজন গুরুত্বপূর্ণ ও জ্যেষ্ঠ কর্মকর্তা। ইরানের বিভিন্ন সামরিক-বেসামরিক গুরুত্বপূর্ণ স্থাপনাও ধ্বংস কিংবা ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে। এছাড়া ইতেমধ্যে ইরানে নিহত হয়েছেন ৩ হাজারের বেশি মানুষ।

সমানতালে হামলার পাল্টা জবাব দিচ্ছে ইরানও। যুদ্ধের শুরু থেকেই ইসরায়েল ও মধ্যপ্রাচ্যের উপসাগরীয় অঞ্চলের ৬ দেশ সৌদি আরব, কাতার, কুয়েত, বাহরাইন, সংযুক্তর আরব আমিরাত, ওমানে অবস্থিত মার্কিন সেনাঘাঁটিগুলো লক্ষ্য করে দফায় দফায় ড্রোন-ক্ষেপণাস্ত্র নিক্ষেপ করা শুরু করে ইরান।

টানা ৪০ দিন ধরে যুদ্ধের পর ৮ এপ্রিল থেকে যুদ্ধবিরতি ঘোষণা করে যুক্তরাষ্ট্র। সেই বিরতি এখনও চলছে।

সূত্র : এবিসি নিউজ

এস/

 

 

মন্তব্য করুন

  • সর্বশেষ
  • জনপ্রিয়

বাজে বোলিংয়ে হতাশায় দিন শেষ করল বাংলাদেশ

রূপপুরে রাশিয়ার বিজয় দিবস উদযাপন

পরীক্ষা বন্ধ করে ব্যবসায়ী সমিতির ভোট, ফিরে গেলো শিক্ষার্থীরা

৭ জেলায় বজ্রপাতের আশঙ্কা, সতর্ক থাকার পরামর্শ

অবশেষে আরেক দলের সমর্থন অর্জন, মুখ্যমন্ত্রী হচ্ছেন থালাপতি বিজয়

আর বাকি ৩৩ দিন : পোল্যান্ডের সোনালি অধ্যায়

বর্ণাঢ্য আয়োজনে চার দিনব্যাপী পুলিশ সপ্তাহ শুরু হচ্ছে রোববার

চট্টগ্রামে দুই বাসের সংঘর্ষে হতাহতদের পরিচয় শনাক্ত

স্পেনগামী প্রমোদতরীতে হান্টা ভাইরাসের হানা, মৃত ৩

রাষ্ট্রপতির বিদেশযাত্রা ও দেশে ফেরার রাষ্ট্রাচারে পরিবর্তন

১০

কাজের গুণগত মান নিশ্চিতের উদ্যোগ রাজউকের

১১

মাদক বিক্রিতে বাধা দেওয়ায় হত্যা, যুবকের যাবজ্জীবন

১২

‘খাল খননের মাধ্যমে অবৈধভাবে গড়ে ওঠা স্থাপনা দখলমুক্ত হবে’

১৩

কুষ্টিয়া সরকারি কলেজে এমপি আমির হামজাকে ঘিরে হট্টগোল

১৪

ভিসা জটিলতায় ৯ জনকে রেখে ব্যাংককের পথে ঋতুপর্ণারা

১৫

যুদ্ধের মধ্যেও এমিরেটসের রেকর্ড মুনাফা

১৬

সন্ধ্যার মধ্যে ৯ অঞ্চলে ঝড়ের আভাস

১৭

৩০ বছর বয়সেই অবসরের ঘোষণা জার্মান ডিফেন্ডারের

১৮

পর্যায়ক্রমে মাঠ থেকে সেনাবাহিনী তুলে নেওয়া হবে : স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী

১৯

নাহিদ রানাকে বাংলাদেশের সম্পদ বললেন শাহিন আফ্রিদি

২০