হাতে সময় ছিল মাত্র চার মিনিট। সংবাদমাধ্যমের সামনে চেলসির সবশেষ হতাশাজনক ফল নিয়ে কথা বলতে গিয়ে সেই অল্প সময়টুকুই কাজে লাগিয়েছেন জাবি আলোনসো। কারণ, সামনে যে আরও একটি কঠিন পরীক্ষা অপেক্ষা করছে।
চেলসির পরবর্তী গন্তব্য খুব বেশি দূরে নয়। স্থানীয় প্রতিদ্বন্দ্বী ব্রেন্টফোর্ডের মাঠে খেলতে যাবে তারা। সাম্প্রতিক বছরগুলোতে জিটেক কমিউনিটি স্টেডিয়াম চেলসির জন্য রীতিমতো অস্বস্তির জায়গা হয়ে উঠেছে। ২০২১ সালের পর সেখানে আর জিততে পারেনি ব্লুজরা।
তবে এবার আলোনসোর দলের সামনে শুধু তিন পয়েন্টের লড়াই নয়। চেলসির সাম্প্রতিক হতাশা কাটিয়ে ওঠার জন্যও একটি ভালো ফল প্রয়োজন। আন্তর্জাতিক বিরতির আগে ব্রেন্টফোর্ডের বিপক্ষে এই ম্যাচের ফলই অনেকটা নির্ধারণ করে দিতে পারে, আলোনসোর চেলসিকে নিয়ে আলোচনা কোন দিকে যাবে।
পয়েন্ট হারালে টানা তিন সপ্তাহের আন্তর্জাতিক বিরতির সময় ক্লাবকে ঘিরে চাপ আরও বাড়তে পারে। সে কারণেই শুক্রবার রাতে প্রতিবেশীদের মাঠে এই ম্যাচটি আলোনসোর চেলসি অধ্যায়ের শুরুর দিকের সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ পরীক্ষাগুলোর একটি হয়ে উঠতে পারে।
চেলসির সমস্যাগুলো কোথায়, তা আলোনসো বুঝতে পেরেছেন বলেই মনে হচ্ছে। এখন সেই সমস্যার সমাধান মাঠে দেখানোর পালা। সবার আগে নজর দিতে হবে রক্ষণে। লিগে টানা ২০ ম্যাচ ধরে ক্লিন শিট নেই চেলসির। ভঙ্গুর এই রক্ষণভাগকে শক্ত করাই এখন আলোনসোর সবচেয়ে বড় কাজগুলোর একটি। তবে শুধু রক্ষণ সামলালেই হবে না, দলের মানসিক দৃঢ়তাও বাড়াতে হবে।
সবশেষ ম্যাচে খেলা বন্ধ থাকার পর মনোযোগের ঘাটতির সুযোগ নিয়ে প্রতিপক্ষ সমতায় ফিরেছিল। সেই হতাশার প্রভাবও স্পষ্ট ছিল দলের মধ্যে। হালের মতো কোনো দল যদি চেলসির এমন বিভ্রান্তির সুযোগ নিতে পারে, তাহলে ব্রেন্টফোর্ডের মতো প্রতিপক্ষও যে তা কাজে লাগাতে দ্বিধা করবে না, সেটি বলাই যায়।
মন্তব্য করুন