ফ্যামিলি কার্ড ও কৃষি কার্ডের বাজেট বরাদ্দ সমন্বয়ে মূল্যস্ফীতি হবে না জানিয়ে প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান বলেছেন, আমরা তো টাকা ছাপিয়ে দিচ্ছি না; যেহেতু আমরা টাকা ছাপিয়ে দিচ্ছি না, সেহেতু মূল্যস্ফীতি হবে না।
বুধবার (১ এপ্রিল) বিকেলে সংসদের প্রশ্নোত্তর পর্বে তিনি এসব কথা বলেন।
প্রধানমন্ত্রী বলেন, আমরা আগামী ১৪ এপ্রিল পহেলা বৈশাখের দিন কৃষক কার্ড চালু করতে যাচ্ছি। এই পাইলট কর্মসূচির আওতায় ইতোমধ্যে আমরা প্রায় ২২ হাজার বিভিন্ন ধরনের কৃষককে অন্তর্ভুক্ত করেছি। দেশের ১০টি জেলায় এই কর্মসূচি শুরু হতে যাচ্ছে। আপনারা জানতে চেয়েছেন কবে নাগাদ সমগ্র বাংলাদেশের সকল কৃষককে এটি দিতে পারব; সরকারের হিসাব অনুযায়ী দেশে প্রায় ২ কোটি ৭৫ লক্ষের মতো কৃষক আছেন। আমরা ইনশাআল্লাহ পর্যায়ক্রমে আগামী কয়েক বছরের মধ্যে সকল কৃষকের কাছে পৌঁছানোর পরিকল্পনা গ্রহণ করেছি।
বাজেট এবং মূল্যস্ফীতি সংক্রান্ত প্রশ্নের জবাবে তিনি বলেন, স্বাভাবিকভাবেই বাজেট কত, সেটি আমরা এখনই বলছি না। আমরা পর্যায়ক্রমে বিষয়গুলোকে এগিয়ে নিয়ে যাব। আমাদের একেকটি কৃষি কার্ড এবং ফ্যামিলি কার্ডের জন্য নির্দিষ্ট বরাদ্দ রাখা হয়েছে। কৃষি কার্ডধারী কৃষকরা বছরে আড়াই হাজার টাকা পাবেন এবং ফ্যামিলি কার্ডধারী নারীরা প্রতি মাসে আড়াই হাজার টাকা করে পাবেন। আমরা প্রতি মাসে এর পরিধি বাড়াতে থাকব। ফলে অধিক সংখ্যক নারী ও কৃষক এই সুবিধার আওতায় আসবেন। পৃথিবীর কোনো দেশের পক্ষেই একবারে সবাইকে এই সুবিধা দেওয়া সম্ভব নয়। সেজন্য প্রতি বছরই আমরা বাজেটে বরাদ্দ বাড়াব।
তিনি বলেন, আমরা তো টাকা ছাপিয়ে দিচ্ছি না, তাই মূল্যস্ফীতি হবে না। বরং আমরা মনে করি, এই টাকাগুলো যখন বাজারে যাবে, বিশেষ করে প্রান্তিক পর্যায়ের নারী ও কৃষকদের হাতে, নিশ্চয়ই তারা সেই টাকা বিদেশে পাচার করবেন না। সেই টাকা স্থানীয় অর্থনীতিতে খরচ হবে। একজন নারী স্বাভাবিকভাবেই সেই অর্থ সন্তানের লেখাপড়া, পরিবারের ভালো খাবার অথবা স্থানীয় কোনো ছোট ব্যবসায় বিনিয়োগ করবেন। ফলে সরকারের কাছ থেকে পাওয়া এই অর্থ স্থানীয় অর্থনীতিকে আরও শক্তিশালী ও গতিশীল করবে।