MNB News
১১ এপ্রিল ২০২৬, ২:৩৬ অপরাহ্ণ
অনলাইন সংস্করণ

যুক্তরাষ্ট্রে হাতুড়ির আঘাতে বাংলাদেশি নারীকে হত্যা, যা বললেন ট্রাম্প

যুক্তরাষ্ট্রের ফ্লোরিডায় ইয়াসমিন নামে এক বাংলাদেশি নারীকে হাতুড়ির আঘাতে নির্মমভাবে হত্যা করেছেন এক হাইতির নাগরিক। এ হত্যাকাণ্ড নিয়ে কথা বলেছেন যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প।

স্থানীয় সময় বৃহস্পতিবার (৯ এপ্রিল) রাতে ট্রাম্প সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম ট্রুথ সোশ্যালে একটি পোস্ট করেন। সেখানে এই হত্যাকাণ্ডের জন্য সাবেক প্রেসিডেন্ট জো বাইডেন প্রশাসনকে দুষেছেন তিনি। ট্রাম্প বলেছেন, হাইতির এ নাগরিককে যুক্তরাষ্ট্র ছাড়ার জন্য নির্দেশ দিয়েছিল আদালত। কিন্তু হাইতির সাড়ে তিন লাখ মানুষকে বাইডেন প্রশাসন যে বিশেষ সুবিধা দিয়েছিল, সেটির কারণে এ খুনি যুক্তরাষ্ট্রে রয়ে গিয়েছিলে। এরপর গত ৪ এপ্রিল তিনি ইয়াসমিন নামের ওই নারীকে নির্মমভাবে হাতুড়ির আঘাতে হত্যা করেন।

ট্রাম্প হত্যাকাণ্ড নিয়ে লিখেছেন, “এই পশুকে যুক্তরাষ্ট্রে থাকতে দেওয়া হয়েছে কারণ বাইডেন প্রশাসন তাকেসহ সব হাইতিয়ানকে ‘বিশেষ নিরাপত্তা অবস্থার’ আততায় থাকার অনুমতি দিয়েছিল। এই বিশেষ নিরাপত্তা অবস্থা একটি প্রতারণাপূর্ণ এবং ব্যাপক অপব্যবহৃত পোগ্রাম। যা আমার প্রশাসন বন্ধ করার জন্য কাজ করছে। কিন্তু উন্মাদ জেলা আদালতের বিচারকরা আমাদের পথে বাধা হয়ে দাঁড়াচ্ছেন।”

“আমার প্রশাসনের অভিবাসননীতি কার্যকরের ক্ষেত্রে বাধা বন্ধের জন্য এসব উগ্র বিচারকের জন্য এই একটি হত্যাকাণ্ডই যথেষ্ঠ হওয়া উচিত। তারা যেন আমাদের এই প্রতারণামূলক পোগ্রাম একবারেই শেষ করতে দেন।”

সাবেক প্রেসিডেন্ট জো বাইডেন হাইতির নাগরিকদের বিশেষ নিরাপত্তা ব্যবস্থার সুযোগ দিয়েছিলেন। এর আওতায় হাইতিয়ানরা অস্থায়ী ভিসা পেতো।

এদিকে বাংলাদেশি নারীকে হত্যা করা ওই ব্যক্তির নাম জোয়াকিন।

একটি ভিডিওতে দেখা গেছে, জোয়াকিন হাতে হাতুড়ি নিয়ে একটি গ্যাস স্টেশনে গেছেন। সেখানে তিনি একটি গাড়ি ভাঙচুর করছিলেন। তখন পাশের স্টোর থেকে বের হয়ে আসেন ইয়াসমিন। সেখানে তিনি ক্লার্ক হিসেবে কাজ করতেন।

ইয়াসমিন বের হয়ে আসার পর জোয়াকিন তাকে মাথায় প্রথমে একটি আঘাত করেন। এতে ইয়াসমিন পড়ে যান। এরপর তার মাথায় আরও ছয়বার আঘাত করেন জোয়াকিন। এতে ঘটনাস্থলেই ইয়াসমিনের মৃত্যু হয়।

জোয়াকিনকে পরবর্তীতে পুলিশ আটক করে। তিনি স্বীকার করেন ওই গ্যাস স্টেশনের একজন ক্লার্ককে হত্যা করতে গিয়েছিলেন তিনি।

জোয়াকিন ২০২২ সালের আগস্টে যুক্তরাষ্ট্রে প্রবেশ করেন। কিন্তু অবৈধ হওয়ায় ওই বছরই এক বিচারক তাকে নিজ দেশে ফেরত পাঠানোর নির্দেশ দেন। কিন্তু মার্কিন সরকার তাকে অস্থায়ী ভিসা দেয়। যেটির মেয়াদ ২০২৪ সালে শেষ হয়ে যায়। আর কয়েকদিনের মধ্যেই তাকে নিজ দেশে ফেরত পাঠানো হতো। কিন্তু এর আগেই এ নির্মম হত্যাকাণ্ড ঘটিয়েছেন তিনি।

ট্রাম্প প্রশাসন হাইতির সাড়ে তিন লাখ মানুষের বিশেষ সুবিধা বাতিল করে তাদের নিজ দেশে ফেরত পাঠাতে দীর্ঘদিন ধরে চেষ্টা করছে। কিন্তু চলতি বছরের শুরুতে এক কেন্দ্রীয় বিচারক এটি বন্ধ করার নির্দেশ দেন।

মন্তব্য করুন

  • সর্বশেষ
  • জনপ্রিয়

বাংলাদেশের টেবিল টেনিসে জাপানি কোচ

অকটেন-পেট্রোলের মজুত যথেষ্ট, দুই মাসেও কোনো সমস্যা হবে না

বিএনপি নেতা বললেন, মারধরের শিকার ব্যক্তির শরীরে মুরগির রক্ত মাখানো হয়েছে

বনানীতে বহুতল ভবনে আগুন, নিয়ন্ত্রণে কাজ করছে ৫ ইউনিট

ক্রেতা সেজে তেল কিনতে যান ডিজিএফআইয়ের তিন সদস্য

টাইমের ১০০ প্রভাবশালী ব্যক্তির তালিকায় প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান

হাওরে বাঁধ কাটতে গিয়ে মাটিচাপায় যুবকের মৃত্যু

রাম সাগরের কিংবদন্তি থেকে উপকূলীয় বাংলাদেশের সুপেয় পানির সংকট

মধ‌্যপ্রা‌চ্যের যুদ্ধ দীর্ঘায়িত হ‌লে বিপদ দেখ‌ছেন তথ‌্যমন্ত্রী

মাথা ঘুরে গাছের উপর ঝুলে ছিলেন বৃদ্ধ, ৯৯৯-এর ফোনে উদ্ধার

১০

হরমুজকে বাইপাস করা তেলের পাইপ ঠিক করল সৌদি

১১

পয়লা বৈশাখ ঘিরে আমাদের প্রস্তুতি রয়েছে : ডিএমপি কমিশনার

১২

এয়ার চায়নার ৪টি ফ্লাইট বাতিল ঘোষণা

১৩

খুলনায় ২৪ ঘণ্টায় হামের উপসর্গ নিয়ে এক শিশুর মৃত্যু, হাসপাতালে ৯০

১৪

আমরা আবারও আন্দোলনের জন্য প্রস্তুতি নিচ্ছি : নাহিদ ইসলাম

১৫

ধরাবাঁধা নিয়মের মাঝে আশা ভোঁসলে গড়েছিলেন সুরের সাম্রাজ্য

১৬

সংরক্ষিত নারী আসনে কারা প্রাধান্য পাবেন, জানালেন রিজভী

১৭

পরিবর্তন নেই বাংলাদেশের স্কোয়াডে, যে ব্যাখ্যা দিলেন নির্বাচকরা

১৮

১০০ টাকার নিচে নেই সবজি, পাতে কমছে স্বাদ

১৯

উচ্চ আদালতের রায়ের পরও মিলছে না প্রাপ্য ভাতা

২০