রাজধানীর এভারকেয়ার হাসপাতালে বিএনপি চেয়ারপারসন ও সাবেক প্রধানমন্ত্রী বেগম খালেদা জিয়ার জন্য সরকারের পক্ষ থেকে ‘অতিগুরুত্বপূর্ণ ব্যক্তি (ভিভিআইপি)’ শ্রেণির সুরক্ষা দেওয়ার সিদ্ধান্ত চূড়ান্ত হয়েছে—এমন আলোচনার পর প্রতিষ্ঠানটির আশপাশে রাতের আঁধারেই নিরাপত্তা জোরদার করা হয়েছে।
রবিবার দিবাগত রাতের পর হাসপাতালের প্রধান প্রবেশপথ ও আশপাশে অতিরিক্ত নিরাপত্তা বাহিনী মোতায়েন করতে দেখা যায়। একই সঙ্গে রাস্তার দুই পাশে ব্যারিকেডও স্থাপন করা হয়।
বিএনপির একাধিক শীর্ষ সূত্রের দাবি, খালেদা জিয়ার জন্য বিশেষ নিরাপত্তা প্রদান সংক্রান্ত সরকারি সিদ্ধান্ত উচ্চ পর্যায়ে অনুমোদিত হয়েছে। সংশ্লিষ্ট গেজেট প্রকাশের প্রস্তুতিও শেষ পর্যায়ে রয়েছে বলে তারা জানিয়েছে।
ধারণা করা হচ্ছে, মঙ্গলবার (২ ডিসেম্বর) এ বিষয়ে সরকারের পক্ষ থেকে আনুষ্ঠানিক ঘোষণা আসতে পারে।
এই আকস্মিক উদ্যোগ নিয়ে বিএনপির ভেতরে নানা গুঞ্জন তৈরি হয়েছে। দায়িত্বশীল নেতারা প্রকাশ্যে কোনো কারণ জানাতে না পারলেও দলীয় একটি অংশের ধারণা—সরকার বিএনপির প্রতি সৌহার্দ্যপূর্ণ বার্তা দিতেই এ ধরনের পদক্ষেপ নিচ্ছে।
অন্যদিকে, সোমবার রাত সাড়ে ১২টার কিছু পর বিএনপির মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীরকে হাসপাতাল থেকে বের হতে দেখা যায়। তিনি এর আগে অধ্যাপক ডা. এ জেড এম জাহিদ হোসেনকে নিয়ে চেয়ারপারসনের সিসিইউ কক্ষে প্রবেশ করেছিলেন।
এদিকে বিএনপির মিডিয়া সেলের সদস্য শায়রুল কবির খান জানিয়েছেন, চিকিৎসকদের পরামর্শ অনুযায়ী দেওয়া ওষুধে খালেদা জিয়ার শারীরিক প্রতিক্রিয়া ইতিবাচক রয়েছে।
আর/