সেহরি রান্নার জন্য সজাগ হলে দেখি নজরুল ইসলামের ঘর থেকে ধোঁয়া বের হচ্ছে। পরে তাদেরকে ডেকে সজাগ করি। গ্রামের মানুষ মিলে আগুন নিভিয়েছে। আগুনে পুড়ে ঘুমের মধ্যেই ছালেমা খাতুন মারা গেছে।
নিহত ছালেমা খাতুনের স্বামী নজরুল ইসলাম বলেন, আমি রাতে অন্য জায়গায় ছিলাম। খবর পেয়ে এসে দেখি ঘরের ভেতরে আগুন ও ধোঁয়া। পানি ও বালি দিয়ে আগুন নেভানো হয়েছে। খাট বিছানা আগুনে পুড়ে গেছে এবং আমার স্ত্রীও মারা গেছে। তার শরীরের অনেক জায়গায় পুড়ে গেছে। ছেলে জানিয়েছে মশার কয়েল জ্বালানি সে ঘুমিয়েছিল। কয়েল থেকেই আগুন লেগেছে।
সুরমা ইউনিয়ন পরিষদের ১নং ওয়ার্ডের ইউপি সদস্য আফসান পারভেজ বলেন, খবর পেয়ে রাতেই আমি ঘটনাস্থলে গিয়ে দেখি আগুনে পুড়ে ঘরের ভেতরেই মহিলা মারা গেছেন। পরে পুলিশকে ঘটনা অবগত করি।
সুনামগঞ্জ সদর মডেল থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) রতন সেখ বলেন, স্থানীয় ইউপি সদস্যের কাছ থেকে খবর পেয়ে ভোরে মহিলার মরদেহ উদ্ধার করা হয়েছে। মশার কয়েলের আগুন থেকে এই ঘটনা ঘটেছে বলে প্রাথমিকভাবে ধারণা করা গেছে। আগুন পুড়ে মহিলা শরীর অঙ্গার হয়ে গেছে। আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।