কুমিল্লায় আরাফাত হোসেন (৮) নামের এক মাদরাসা শিক্ষার্থীর মরদেহ উদ্ধার করেছে পুলিশ। তবে, তাকে হত্যা করা হয়েছে বলে দাবি পরিবারের।
রোববার (২৪ মে) কুমিল্লা নগরীর শাকতলা মোখলেছিয়া দারুছুন্নাত মোখলেছিয়া দ্বীনিয়া মডেল মাদরাসায় এ ঘটনা ঘটে।
নিহত আরাফাত (১৫) শাকতলা উত্তরপাড়া চেয়ারম্যান বাড়ি এলাকার দিনমজুর মো. হোসেনের ছেলে। সে ওই মাদরাসার হিফজ বিভাগের শিক্ষার্থী ছিল।
কুমিল্লা ইপিজেড পুলিশ ফাঁড়ির উপপরিদর্শক (এসআই) প্রবীণ দেব ঢাকা পোস্টকে বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন।
পুলিশ জানায়, রোববার সন্ধ্যায় স্থানীয় বাসিন্দাদের মাধ্যমে খবর পেয়ে শাকতলা এলাকায় নিজ বাড়ি থেকে তার মরদেহ উদ্ধার করে ময়নাতদন্তের জন্য থানায় আনা হয়েছে।
স্থানীয় বাসিন্দারা জানান, রোববার দুপুরে মাদরাসার পুকুরে আরাফাতসহ কয়েকজন ছাত্র গোসল করতে যায়। পরে সে বুকে ব্যথা অনুভব করলে তাকে পাশের মডার্ণ হাসপাতালে নিয়ে গেলে কর্তব্যরত চিকিৎসক সদর হাসপাতালে পাঠান। সেখানকার চিকিৎসকরা তাকে মৃত ঘোষণা করেন।
তবে তাকে হত্যা করা হয়েছে দাবি করে চাচা মিজানুর রহমান ঢাকা পোস্টকে বলেন, আমার ভাতিজাকে নির্যাতন করে মারা হয়েছে। মাদরাসার হুজুরেরা এ ঘটনার জন্য দায়ী। আমরা এর বিচার চাই। আমরা মামলার প্রস্তুতি নিচ্ছি।
পুলিশ কর্মকর্তা প্রবীণ দেব ঢাকা পোস্টকে বলেন, নিহতের মরদেহ থানায় রাখা হয়েছে। আগামীকাল সকালে তার ময়নাতদন্ত হবে, রিপোর্ট পেলে আসল কারণ জানা যাবে। তার পরিবার মামলা করতে চাইলে মামলা নেওয়া হবে।
মন্তব্য করুন